সুনামগঞ্জ শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইংরেজি | ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা | ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
Ad
আজকের CSI News - সি এস আই নিউজ সংবাদ
সি এস আই নিউজ
প্রকাশ : ৭ জুলাই ২০২৬ ইং
অনলাইন সংস্করণ

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কী কী কাজ হবে, সংসদে জানালেন পানিসম্পদমন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদীশাসন, ১১০ কিলোমিটার ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন ও স্পার নির্মাণ-মেরামত এবং ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রংপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. রায়হান সিরাজীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদী উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে শুষ্ক মৌসুমে পানিপ্রবাহ কমে যায়। ফলে তিস্তা সেচ প্রকল্পসহ কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে উজানে অতিবৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যা ও নদীভাঙনের ঘটনা ঘটে।

তিনি জানান, তিস্তা অববাহিকার পাঁচটি জেলা—রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটে নদীভাঙন রোধে ২০২৪–২৫ এবং ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ২২২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪২ দশমিক ১৭ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণকাজ এরইমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, তিস্তা নদীকেন্দ্রিক টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একটি সমীক্ষা শেষ হয়েছে। সমীক্ষা প্রতিবেদনে তিস্তা মহাপরিকল্পনার আওতায় ১১০ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ (নদীশাসন), ১১০ কিলোমিটার নদী ড্রেজিং, ২২৪ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বাঁধের ওপর সড়ক নির্মাণ, ৬৭টি গ্রোয়েন ও স্পার নির্মাণ, মেরামত এবং ১৭০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সমীক্ষার কারিগরি ও আর্থিক বিষয়গুলো বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ ও সেচসুবিধা বাড়বে, কৃষি উৎপাদন ও ফসলের বহুমুখীকরণ সম্ভব হবে। 

পাশাপাশি নদীতীরবর্তী এলাকায় রাস্তা, সেতু ও বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য হ্রাস, নৌযোগাযোগের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা বাড়বে বলে সমীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের দেখতে ব্যাংককে জামায়াত আমির

1

প্রধানমন্ত্রী বরাবর এবি পার্টি চেয়ারম্যান মঞ্জুর চিঠি

2

ঈদযাত্রায় ভাড়া তিনগুণ, পিকআপেও জায়গা নেই

3

মেসির দলে যোগ দিচ্ছেন নেইমার!

4

জামিন পেলেন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার আসামি নিষিদ্ধ ছাত্র

5

হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানম

6

পাকিস্তানকে রুখে দিল বাংলাদেশ

7

এমবোলোর অদ্ভুত সেই লাল কার্ডের নেপথ্যে যে নিয়ম

8

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে এনসিপির বিবৃতি, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

9

খাগড়াছড়িতে দুপক্ষের গোলাগুলি, নিহত ৩

10

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা: শিক্ষামন

11

শিগগিরই স্বাভাবিক হচ্ছে না জ্বালানির বাজার

12

রাশিয়া-চীন ইরানকে সাহায্য করলে পরিণতি ‘খুব খারাপ’ হবে: ট্রাম

13

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা আজ

14

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসকের সাক্ষাৎ

15

নাসিরনগরে পানিতে জমির সব ধান তলিয়ে যেতে দেখে কৃষকের মৃত্যু

16

দশ বিশ্বকাপের পথিক: তপন চৌধুরীর চোখে ফুটবলের পৃথিবী

17

মিশরের মুখোমুখি হওয়ার আগে সুখবর পেল ইরান ফুটবল দল

18

বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষ্যে ঢাকায় কনসার্ট, মঞ্চ মাতাবেন সঞ্জয়

19

গ্যালারিতে বসে দেশসেরা ক্ষুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানম

20